পোস্টগুলি

Rajuk Uttara Model Colleg-রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ

রাজউকের সহযোগিতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবস্থাপনায় ১৯৯৪ সালে প্রায় সাড়ে ৪ একর জমির উপর রাজধানীর উত্তরায় রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ স্থাপিত হয়। ১৯৯৪ সালের প্রথম দিকে প্রধান একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হয় এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯৪-৯৫ শিক্ষাবর্ষে কলেজ শাখার উদ্বোধন করেন। অবকাঠামোগত সুযোগ সুবিধার স্বল্পতার কারণে ১৯৯৫ সালে আরেকটি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় এবং ২০০১ সালে ক্যাম্পাসটি বর্তমান রূপধারণ করে। [ একটি শাখা (প্রভাতী) নিয়ে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ যাত্রা শুরু করে কিন্তু অধিক শিক্ষার্থীর চাপ সামলানোর জন্য সরকারের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তীতে ২০০৩ সালে বিদ্যালয়টিতে দিবা শাখা চালু করা হয়।

Projector poriciti

ছবি

স্লাইডে ট্রানজিশন যুক্ত করা

ছবি

শবে বরাতের নামায

ছবি
শবে বরাতের নামে কোন নামাজ নেই। তবে এই রাত ক্ষমা পাওয়ার রাত। এই রাতে সালাতুত তাসবিহ আদায় করা যায়। সালাতুল হাজত আদায় করতে পারলেও ভালো। উত্তম হল ক্বাজা নামাজ থাকলে খুঁজে খুঁজে আদায় করা। রাতভর যিকিরে কাটানো ভালো। উত্তম যিকির হল কোরান তেলাওয়াত। সাবধান! রাত জেগে যেন ফজর ক্বাজা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখি।

Googles Local Guides Live Application 2018

ছবি

ধর্ম যার যার উৎসব তার তার

ছবি
ধর্ম যার যার উৎসব তার তার ! ====================== এটাই ছিলো ১৪৫০ বছর আগের রাসুল ﷺ এর দেখানো শিক্ষা। বিধর্মীদের ধর্মীয় কাজে রাসুল ﷺ ও তাঁর অনুসারীরা কখনও বাঁধা দেন নাই। তারা তাদের ধর্ম অনুসরণ করতো, রাসুল ﷺ তাঁর ধর্ম অনুসরণ করতো। যেমন কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ ۞ لَا أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ ۞ وَلَا أَنتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ ۞ وَلَا أَنَا عَابِدٌ مَّا عَبَدتُّمْ ۞ وَلَا أَنتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ ۞لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِيَ دِينِ -বলে দাও , হে কাফেররা। আমি ইবাদত করিনা, তোমরা যার ইবাদত কর। এবং তোমরাও ইবাদতকারী নও, যার ইবাদত আমি করি। এবং আমি ইবাদতকারী নই, যার ইবাদত তোমরা কর। তোমরা ইবাদতকারী নও, যার ইবাদত আমি করি। তোমাদের ধর্ম তোমাদের জন্য এবং আমাদের ধর্ম আমাদের জন্য। [সূরা কাফেরুন ১-৫] . কিন্তু আজ এত কাল পর শয়তান তার শয়তানীকে নতুন মাত্রায় আমাদের মাথায় ডুকিয়ে দিয়েছে। তাই তো প্রচার করা হচ্ছে, ধর্ম যার যার উৎসব সবার। কত বড় শয়তানী কথা চিন্তা করো যায়? . . মুলত এটি একটি জাহেলী বক্তব্য। আর এই কারনেই ইসলীম শরীয়ত সম্পর্কে অজ্...

রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এর আখলাক

হযরত আ’য়েশাহ রদিয়াল্লহু আ’নহা এর বর্ণনা সা’দ ইবনে হিশাম রহমাতুল্লহ আ’লাইহি বলেন, আমি উম্মুল মুমিনীন আ’য়েশাহ রদিয়াল্লহু আ’নহা এর নিকট বলিলাম, আমাকে রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এর আখলাক সম্পর্কে বলুন। তিনি বলিলেন তুমি কি করআন পড় না? আমি বলিলাম নিশ্চয়ই! তিনি বলিলেন, তাঁহার চরিত্র ছিল কুরআন। (অর্থাৎ কুরআনে বর্ণিত চরিত্রের ন্যায় তাঁহার চরিত্র ছিল।) অপর রেওয়ায়েতে অতিরিক্ত ইহাও বর্ণিত হইয়াছে যে, হযরত কাতাদাহ রদিয়াল্লহু আ’নহু বলিয়াছেন, আর কুরআন সর্বোত্তম মানব চরিত্র বর্ণনা করিয়াছে। (মুসলিম, ইবনে সা’দ) হযরত আবু দারদা রদিয়াল্লহু আ’নহু বলেন, আমি হযরত আ’য়েশাহ রদিয়াল্লহু আ’নহা কে রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এর আখলাক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করিলাম। তিনি বলিলেন তাঁহার আখলাক ছিল কুরআন। কুরআন যাহাতে সন্তুষ্ট তিনি তাহাতে সন্তুষ্ট হইতেন, করআন যাহাতে অসন্তুষ্ট তিনি তাহাতে অসন্তুষ্ট হইতেন। যায়েদ ইবনে বাবনুস রহমাতুল্লহ আ’লাইহি বলেন, আমরা হযরত আ’য়েশাহ রদিয়াল্লহু আ’নহা কে জিজ্ঞাসা করিলাম, হে উম্মুল মুমিনীন, রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্ল...